Saturday , May 15 2021

মরুভূমিতে বাজপাখির সঙ্গে খেলায় মেতেছেন পরীমনি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের গ্ল‌্যামার কন্যা খ্যাত চিত্রনায়িকা পরীমনি। ভ্রমণ পিপাসু এই নায়িকা সুযোগ পেলেই অবকাশ যাপনের জন্য ছুটে যান নান্দনিক কোনো স্থানে। কখনো চায়না,

কখনো সিঙ্গাপুর অথবা দুবাই।এবার দু্বাইয়ে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন পরীমনি। সেখানকার দর্শনীয় স্থান ঘুরে বেড়িয়েছেন। স্থানীয় পোশাক পরে মরুভূমিতে বাজপাখির সঙ্গে খেলায় মেতেছিলেন।

সোশ‌্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত কিছু ছবিতে দেখা যায়—একটি বাজপাখি পরীমনির হাতে বসে আছে। পাখিটির দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন তিনি। তা ছাড়া দুবাইয়ে প্রাইভেট বোটে সাদা টপস, নীল প্যান্ট আর রোদ চশমা পরে চালকের আসনে বসে থাকতেও দেখা যায় তাকে।

পরীমনি সবসময় নিজের জন্য, আত্মীয় ও বন্ধু-বান্ধবদের জন্য কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন। পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ভবন বুর্জ খলিফায় দেখা গেছে তাকে। সেখানকার রেস্তোরাঁ ও মার্কেট থেকে কেনাকাটা করেছেন পরীমনি।

আরও পড়ুন : কৃষকের কাছ থেকে পাইকারী দরে পিস হিসেবে তরমুজ কিনলেও ঝালকাঠিতে খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি। আর এতে কৃষক যেমনি নায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন,

তেমনি সাধারণ ভোক্তাদের চরা দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে এক একটি তরমুজ। আর এ নিয়ে সাধারণ ক্রেতারা চরম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ঝালকাঠি জেলায় ৩৫ হেক্টর জমিতে এ বছর তরমুজের চাষ হয়েছে।

জেলার বাইরে থেকেও আসা তরমুজও স্থানীয় বাজারে খুচরা বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু এখানে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শুভঙ্করের ফাঁকি দিচ্ছেন খুচরা তরমুজ বিক্রেতারা। তরমুজ চাষিদের কাছ থেকে শত (১০০টি) হিসেবে পাইকার ও আড়ৎদ্দারা কিনলেও খুচরা বাজারে এক একটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি হিসাবে।

৩৫ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ টাকায় কেজি প্রতি এক একটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। ফলে একটি তরমুজের দাম পড়ে যায় আড়াইশ থেকে চারশ টাকা ।

আর এ কারণে তরমুজ এখন অনেকেরই ক্রয় সীমার বাইরে। গত বছর থেকে ঝালকাঠির খুচরা বাজারে তরমুজ কেজি দরে বিক্রি শুরু করছেন স্থানীয় বিক্রেতারা।

আর নিয়ে সাধারণ ক্রেতারা চরম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানালেও বিষয়টি দেখার মত যেন কেউ নেই। এদিকে তরমুজ উৎপাদনকারী কৃষকরা জানান, তারা ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকায় শত হিসেবে পাইকার ও আড়দ্দারদের কাছে তরমুজ বেচে থাকেন।

কিন্তু সেই তরমুজ খুচরা বাজারে কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে। এতে চরা দাম পাচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা। খুচরা বাজারে অধিক লাভে কেজি প্রতি তরমুজ বিক্রির সিন্ডিকেট এখর পুরো জেলাতেই। তবে কেজি প্রতি তরমুজ বিক্রির ব্যপারে খুচরা বিক্রেতাদের অজুহাতের অন্ত নেই।

ঝালকাঠি বড় বাজারে একজন ক্রেতা (২৭ এপ্রিল) মঙ্গলবার সকাল বিকালে তরমুজ কিনতে বিক্রেতার সাথে চরম কথাকাটি ও হাতাহাতির পর্যায় চলে যায় এসময় দৈনক যায়যায়দিনের জেলা প্রতিনিধির নজরে আসলে ওই ক্রেতা বলেন, কেজি হিসাবে তরমুজ বিক্রি হওয়ায় আমি ২৫০ গ্রাম তরমুজ চাওয়ায় দোকানি তরমুজ দিচ্ছে না। এটা কি ঝুলুম নয়। আমার দরকার এক কেজি কিন্তু বিক্রেতা পুরো ৮/১০ কেজি মাপের তরমুজ জোর পুর্বক বিক্রি করবে এটা কেমন কথা বলেন।