Saturday , May 15 2021

পৃ’থিবীর প্র’থম জ’মিন হ’চ্ছে প’বিত্র কা’বাঘর

মু’সলিম ই’ম্মাহর ভাষ্য মতে এটাকে বলা হয় বাইতু’ল্লাহ বা আল্লাহর ঘর।কাবা শরিফ ও পবিত্র কাবাঘ’রও বলা হয়ে থাকে। এই পবিত্র কাবা ঘরের অ’ভিমুখী হয়েই আল্লাহর ইবা’দত-বন্দেগি করেন পৃথিবীর কোটি কোটি মু’সলিম। সৃষ্টির সূচনা থেকেই মহান পবিত্র এই কাবাকে মহান আল্লাহ তার মনোনীত বান্দাদের মি’লনস্থল করেছেন।

আমর’া সকলেই জানি , ভৌগোলি’কভাবেই গো’লাকার পৃথিবীর মধ্যস্থলে কাবার অবস্থান। এ বি’ষয়ে পিএইচডি করেছেন ড. হুসাইন কামাল উ’দ্দীন আহম’দ। তাঁর থিসিসের শিরোনাম হলো—‘ইসকাতুল কুররাতিল আরধিয়্যা বিন্ নিসবতে লি মাক্কাতিল মুকাররামা।’ (মাজাল্লা’তুল বুহুসুল ইসলামিয়া, রিয়াদ : ২/২৯২)

ওই থিসিসে তিনি প্রাচীন ও আধুনিক দলিল-দস্তাবেজের আলোকে এ কথা প্রমাণ করেছেন যে কাবাই পৃথিবীর মেরুদ’ণ্ড ও পৃথিবীর মধ্যস্থলে অবস্থিত। ইসলামের রাজধানী হিসেবে কাবা একটি সুপ’রিচিত নাম। পানি’সর্বস্ব পৃ’থিবীতে মাটির সৃষ্টি এ কাবাকে কেন্দ্র করেই।

আরেকটি বি’ষয় হলো, মাটিতে রূপান্ত’র হওয়ার আগে কাবা সাদা ফেনা আকারে ছিল। সে সময় পৃথিবীতে পানি ছাড়া কিছু ছিল না। আল্লা’হর আরশ ছিল পানির ও’পর। হাদি’সের ভাষ্য মতে, কাবার নিচের অং’শটুকু পৃথি’বীর প্রথম জমিন। বিশাল সাগ’রের মাঝে এর সৃষ্টি।

ধীরে ধীরে এর চারপাশ ভরাট ‘হতে থাকে। সৃষ্টি হয় একটি বিশাল মহাদেশের। এক মহাদেশ থেকেই সৃষ্টি হয় অন্য সব মহাদেশ। মাটি বিছা’নোর পর জমিন নড়তে থাকে। হেলতে থাকে।

এর জন্য মহান আল্লাহ পাহাড় সৃষ্টি করেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তিনি পৃথিবীতে সুদৃঢ় পর্বত স্থাপন করেছেন, যাতে পৃথিবী তোমা’দের নিয়ে আ’ন্দোলিত না হয় (হেলে না যায়)।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ১৫)