Thursday , May 26 2022

টানা ১ ঘন্টা সহ’বা’স করার জন্য রাজা-মহারাজারা যা ব্যবহার করতেন!

টানা ১-ঘন্টা সহ’বা’স করার জন্য রাজা-মহারাজারা কি ব্যবহার করতেন! দেখু’ন শারীরিক এবং

মানসিক দিক থেকে আপনি সারাদিন কাজ করে এতটাই ক্লান্ত হয়ে পড়েন যে বিছানা দেখলেই

আপনার ঘুম এসে যায়। সারাদিন দৌড়াদৌড়ি করলে ক্লান্তি আসাটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু

আপনারা রাজ-রাজাদের তো দেখেছেন তারা কিভাবে অনেকদিন ধরে যৌ’ব’ন ধরে রাখতে পারত। আর তাদের মধ্যে

স্ট্যামিনা অনেক বেশি থাকত অনেক বছর ধরে। আপনি এটাও নিশ্চয়ই শুনেছেন যে এক একজন রাজার অনেক রানী এবং

সখি থাকতো। কিন্তু আপনি ভাববেন যে রাজা কি করে অত বছর ধরে যৌ’ব’ন ধরে রাখতে পারত। আরে মশাই, নিজেদের ফিট রাখার জন্য রাজারা

বিভিন্ন রকমের উপায় ব্যবহার করতেন। সেই উপায় গুলো ব্যবহার করে রাজারা বহু বছর ধরে

নিজেদের যৌ’ব’ন ধরে রাখতে পারত। তাহলে আসুন শুনি সেই সব উপায়গুলো এখনকার সময়ে ব্যবহার করা যেতে পারে কিনা।

আয়ুর্বেদিক উপায়
বৈদ্য এবং ফকিররা মহারাজাদের বিভিন্ন উপায় বলতেন যেগুলো তারা ব্যবহার করতেন। এই উপায় গুলোর মধ্যে সোনা, রূপো, কেশর ইত্যাদি তো ছিলই কিন্তু কিছু এমন জড়িবুটিও ছিল যেগুলো খুবই সস্তা এবং যা সহজেই পাওয়া যায়।

কেসর
শরীরে র’ক্ত প্রবাহ ঠিক মত না চলার কারনে যৌ’না’ঙ্গে’র বিস্তার কম এবং ব’ন্ধ্যা’ত্বের মতন রোগ হয়। এই সব দূর করার জন্য কেসর ব্যবহার করা হতো। উপায় – ১ চিমটি কেশর উষ্ম গরম দুধে রাতে খেতে হয়।

তেঁতুলের দানা
শু’ক্রা’ণুর বৃদ্ধি, ইরেকটাইল ডিসফাংশন মানে র’ক্তপ্রবাহ শিরার মধ্যে সঠিকভাবে যাতে প্রভাবিত হয়। যার কারনে গোপাঙ্গ বৃদ্ধি ঘটে এবং এনা’র্জি আসে, এর জন্য তেতুলের ডানা ব্যবহার করা হতো। উপায় – তেঁতুলের দানাকে গুঁরিয়ে পাউডার বানিয়ে সেটিকে সকাল-বিকেল মিছরি বা গরম দুধের সাথে মিশিয়ে খেতে হয়। জানুন শু’ক্রা’ণু বাড়ানোর জন্য কোন জিনিসের ব্যবহার করা হতো।

আমলকি
প্র’সা’বের অ’সু’বিধা, শুক্রাণু বাড়ানো এবং ইরেকটাইল ডিসফাংশন মানে র’ক্তে’র প্রবাহ শিরায় সঠিকভাবে জাতীয় পর্যায়ে এবং গো”পা’ঙ্গ বৃদ্ধি পায় সে সমস্ত রোগের জন্য আমলকী ব্যবহার করা হতো। উপায় – ১ চামচ আমলকী পাউডার এবং এক চামচ মিছরি জলের সাথে গুলে খেয়ে নিতে পারেন এবং তারপর উষ্ম গরম দুধ খেতে পারেন।