Friday , April 16 2021

খুলছে স্কুল, ৩৩৩ দিন পর বন্ধুর সঙ্গে দেখা, মুহুর্তেই আবেগঘন পরিবেশ

মাস্ক, স্যানিটাইজার, প্রতি বেঞ্চে দু জন, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ৩৩৩ দিন পর শুরু করল অফলাইন ক্লাস। এত দীর্ঘ অ’ভিশপ্ত দিন কা’টানোর পর বন্ধুদের দেখে ওদের মুখে হাসি।

বিদ্যাসাগরের হাতে তৈরি ভা’রতের কলকাতার অন্যতম পুরনো নারী শিক্ষার প্রতিষ্ঠান বারাসাত কালীকৃষ্ণ গার্লস হাইস্কুলে দীর্ঘ আট মাস বিদ্যালয় থেকে দূরে থাকা মে’য়েরা স্কুলে এসে নিজের প্রা’ণ ফিরে পেল। তীব্র আওয়াজে বেজে উঠল ফের স্কুলের ঘন্টা। ছুটির ঘন্টা নয়, প্রা’ণ খুলে হাসা, চার দেওয়ালে বন্ধুকে খুঁজে পাওয়ার সুযোগ মিলল।

দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্র-ছা’ত্রীদের হাতে সময় আর সামান্য। তাই দেরিতে হলেও বন্ধুর দেখা পেয়ে খুশি ওরা। বাবার স্কুটির পিছন থেকে লাফ মে’রে নামল নীতিশা ঘোষ। স্কুল খোলায় একটু মুক্তির আনন্দে গত কয়েক দিন ধরে নেচে চলেছে বাড়িতেই। বন্ধুদের বারবার ফোন ঠিক কটার সময় স্কুলে পৌছাবে তারা।

অন্য অ’ভিভাবকরাও এ দিন বলেছিলেন স্কুল করো’না কালে অন লাইন ক্লাস করিয়েছে। তবুও স্কুলে পড়ার গুরুত্ব আলাদা। যদিওে এখনো ভ’য় কাটেনি। করো’না অ’তিমা’রী না মিটতে স্কুলে বাচ্চাকে পাঠিয়ে নিশ্চিন্ত নয়ন অ’ভিভাব ঝুমা পাল। তাঁর কথায়, “স্কুল খুলেছে খুব ভাল তবে শিক্ষিকারা যেন নজর রাখেন মে’য়েদের উপর। এরা তো আবার দস্যিপনা সব সময় এগিয়ে থাকে।আর এত দিন বন্ধুদের কাছে পেয়ে যেন করো’না কালে নিয়মগুলো না ভোলে এরা সেটা যেন দেখা হয়।”

বারাসত কালীকৃষ্ণ গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মৌসুমী সেনগুপ্ত বলছিলেন, “করো’না কালেও তাদের স্কুলে আসতে হয়েছে মডি পরিক্ষা ও অন্যান্য কারণে।কিন্তু আজ মে’য়েদের ফিরে পেয়ে স্কুল ফিরে পেল প্রা’ণ।তবু সময়টা ভাল নয়।তাই স্কুলে প্রার্থনার জন্য আজ আর মাঠে সারি বদ্ধ হওয়া নয়।আজ জনগনমন অধিনায়ক গাওয়া হল ক্লাসে ক্লাসে।”