Sunday , February 28 2021

দিহানের কোনো ইচ্ছাই অ’পূর্ণ রাখেননি মা

আবদার মেটাতে ১৬ বছর বয়সেই দিহানকে তিন লাখ টাকা দিয়ে সুজুকি বাইক কিনে দিয়েছিলেন বাবা। এরপর আবদারের পরিধি বাড়ে। কিনে দিতে হবে গাড়ি। তবে যেনতেন গাড়ি দিলে চলবে না। ‍দিতে হবে টয়োটা এক্সিও। যে কথা সেই কাজ, ছে’লেকে খুশি করতে ২০১৯ সালে ১৪ লাখ টাকায় সেটাও কিনে দিলেন। মোট কথা, দিহানের কোনো ইচ্ছাই অ’পূর্ণ রাখেননি সরকারি চাকরিজীবী বাবা।

ভূমি অফিসের তথ্য মতে, শুধুমাত্র রাতুগ্রাম মোজায় আছে ৭৮ বিঘা জমি। আছে পুকুর, ফসলি জমিসহ গ্রামের আলিশান বাড়ি। পাশাপাশি রাজশাহী নগরীর পদ্মা আবাসিক, সাগরপাড়ায় কেনেন জমিসহ দুটি ভবন।

গ্রামের লোকদের অ’ভিযো’গ দিহানের মা বগুড়ার মে’য়ে শিল্পী বেগমের ঘ’নিষ্ঠতা ছিলো বিএনপির তারেক রহমানের সাথে। তার প্রভাব খাটিয়েও করেন অনেক সম্পদ। তবে দিহানের বড়ভাই সুপ্তের ভ’য়ে ক্যা’মেরায় কথা বলতে চাননি অনেকে।

এলাকাবাসী জানান, তারা মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করেন। কিন্তু তাদের চরিত্র ভালো নয়। এছাড়াও গরীব মানুষদের মা’মলা ও মোকদ্দমা নিয়ে ফাঁদে ফেলেন। এ নিয়ে খোঁজ নিতে রাতুগ্রামে আব্দুর রউফ সরকারের বাড়ি গেলে তা তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। পরে মুঠোফোনে তিনি বলেন, পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করেই শহরে বাড়ি করেছেন তিনি। এলাকায় স্ত্রী’’’’’’র বিএনপির রাজনীতির প্রভাব খাটানোর কথা অস্বীকারও করেন তিনি।

সাবেক জে’লা রেজিস্ট্রার দিহানের বাবা আব্দুর রউফ সরকার বলেন, আমা’র তো পৈত্রিক সম্পত্তি আছে। সেগুলো বিক্রি করে রাজশাহী নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় বাড়ি করেছি। তিনি আরো বলেন, আমি ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগ করতাম। আমা’র ওয়াইফ কী’’’’’’ভাবে বিএনপি করে? গ্রামবাসীরা জানায়, বড় ছে’লে সুপ্ত মা’দ’কাসক্ত হয়ে পড়ায় তাকে সুস্থ করতে রাতুগ্রামের বাড়িতে থাকেন আব্দুর রউফ। সুত্রঃ সময় টিভি অনলাইন।