Sunday , February 28 2021

৩ টি পুরস্কার নিয়ে দুনিয়ায় আসে কন্যা স’ন্তান

কন্যাস’ন্তান আল্লাহর শ্রেষ্ঠ উপহার। তারা মা-বাবার জন্য জান্নাতের দাওয়াতনামা নিয়ে দুনিয়ায় আসে। তাইতো পবিত্র কোরআনে কন্যাস’ন্তানের সংবাদকে ‘সুসংবাদ’ বলা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন,

‘তাদের কাউকে যখন কন্যাস’ন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার মুখমণ্ডল কালো হয়ে যায় এবং সে অসহনীয় মনোস্তাপে ক্লিষ্ট হয়। তাকে যে সুসংবাদ দেওয়া হয়,

তার গ্লানি হেতু সে নিজ সম্প্রদায় হতে আত্মগো’পন করে; সে চিন্তা করে যে হীনতা সত্ত্বেও সে তাকে রেখে দেবে, না মাটিতে পুঁতে দেবে। লক্ষ করো, সে কত নিকৃষ্ট সি’দ্ধান্ত স্থির করেছিল।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ৫৮-৫৯)

রাসুলুল্লাহ (সা.) কন্যাস’ন্তান লালন-পালনকারীর জন্য তিনটি পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন—এক. জাহান্নাম থেকে মুক্তি, দুই. জান্নাতে প্রবেশের নিশ্চয়তা এবং তিন. জান্নাতে রাসুল (সা.)-এর স’ঙ্গী হওয়ার সৌভাগ্য।

তী’ব্র শীতের মধ্যে বাসস্ট্যান্ডে বসে আছেন মধ্যব’য়সী এক না’রী। তার কোলে ছয় মাসের শি’শু। পাশেই হাত দিয়ে ধরে রেখেছেন চার বছর ব’য়সী আরেক স’ন্তানকে। একই স’ঙ্গে মোবাইলে কা’ন্না করে কাউকে বলেছেন,

‘আমাকে নিয়ে যান, আপনি কোথায় গেলেন, আমি আপনার কাছে কিছুই চাই না, শুধু সংসার করতে চাই।’জানা গেছে, বিয়ে হওয়ার ১০ বছর পর প্রথমবারের মতো শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাসস্ট্যান্ডে ওই না’রীকে স’ন্তানসহ রেখে লা’পা’ত্তা হয়েছেন স্বা’মী। বারবার ফোন দিলেও তার পক্ষে আর সংসার করা সম্ভব নয় বলে ফোন কে’টে দেন।

আজ শুক্রবার সকালে এ ধরনের ঘ’টনা ঘটেছে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইল উপজে’লা সদরের পুরনো বাসস্ট্যান্ডে।বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান করা যাত্রীবাহী বাসের টিকিট মাস্টার মো. মুন্না মিয়া জানান,

খুব ভোরে ওই না’রী দুই শি’শুস’ন্তানকে নিয়ে বাসস্ট্যান্ডে আসেন। পরে দেখা যায়, ওই না’রী মোবাইল ফোনে কার স’ঙ্গে যেন উচ্চৈঃস্বরে কা’ন্না করে তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য আ’কু’তি জানান। ওই না’রী বলেন, তার নাম ঋতু প’র্ণা (২২)। তিনি জামালপুর জে’লার সদর উপজে’লার লাহিড়িকান্দা নামক স্থানের সামছুল হকের মে’য়ে। তিনি ঢাকায় গার্মেন্টে কাজ করতেন।

সেখানেই পরিচয়ের সূত্র ধরে ১০ বছর আগে বিয়ে হয় মোশারফ হোসেন (২৫) নামে এক ব্য’ক্তির স’ঙ্গে। কয়েক বছর ঢাকায় থাকার পর বাবার বাড়িতে চলে আসেন। স্বা’মী মোশারফও মাঝেমধ্যে আসতেন।

তাদের সংসারে নিরব ও রূপা নামে দুটি স’ন্তান রয়েছে। নিরবের ব’য়স ছয় মাস এবং রূপার চার মাস। স’ন্তান জ’ন্ম নেওয়ার পর থেকেই ভর’ণপো’ষণ দিতে অ’নী’হা দেখায় স্বা’মী।

একপর্যায়ে শ্বশুরবাড়ি যেতে চাইলে বিভিন্ন টা’লবা’হা’না’য় এ’ড়িয়ে যায়।সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দুই স’ন্তানের অ’সুস্থ’তার কথা বলে টাকা দাবি করলে স্বা’মী মোশারফ দিতে অ’স্বীকার করেন। পরে স’ন্তানসহ নিজে ‘সু”ই’সা”ই’ডের হু’ম”কি দিলে তাকে ফোনে জানায় নান্দাইলে আসার জন্য।

তার কথামতো বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর নান্দাইল সদরে এসে তাকে খোঁ’জ করে পাওয়া যায়নি। তার স’ঙ্গে থাকা স্বা’মীর একটি জ’ন্ম নিবন্ধ’নের ঠিকানা ধরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় উপজে’লার শেরপুর ইউনিয়নের লংগারপার গ্রামে গিয়ে স্বা’মীর স”ন্ধা’ন পান।

রাতযাপনের পর তাকে শুক্রবার ভোরে নিয়ে আসে নান্দাইল বাসস্ট্যান্ডে। এরপর আসছি বলে একটি বাসে উঠে চলে যায় মোশারফ। বেশ কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও স্বা’মীর খোঁজ পাননি ওই না’রী।

ফোনে বারবার চেষ্টা করে একবার সং’যো’গ পেলে স্বা’মী জানায়, ‘তার পক্ষে সংসার করা সম্ভব না।’ পরে সকাল ১০টার দিকে ওই না’রী বাবার বাড়িতে রওনা দেন।