Friday , April 16 2021

স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমলেই খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, ‘করো’নায় স্বাস্থ্য ঝুঁ’কি আম’রা নেব না। যেখানে স্বাস্থ্য ঝুঁ’কি থাকবে, তখন আম’রা খুলব না। যখন মনে করব, ঝুঁ’কিটা খুবই কম এবং এখন খোলা যায় নিরাপদভাবে, আম’রা তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলব।’

বুধবার বাংলাদেশে কর্ম’রত ১৫টি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ‌‘নিরাপদ ইশকুলে ফিরি’ শীর্ষক ক্যাম্পেইন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পুরোপুরি অবস্থার ওপর নির্ভর করবে, আম’রা কী’ ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি বা শেষ দিকে স্কুল খোলার একটা সুযোগ পাব, নাকি মা’র্চ মাসে খোলার চেষ্টা করবো। সেক্ষেত্রে পরীক্ষা যদি কিছুটা দেরি করেও নেয়া হয়, তাতে সমস্যা হবে না।

যখনই স্কুল-কলেজ খোলা হোক না কেন, তার কতদিন পরে এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষা নিলে শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হবে না- সে বিষয়টি মা’থায় রেখে সিলেবাস প্রণয়নের কথা জানান তিনি।‘আম’রা কতগুলো কার্যদিবস পাব, কতগুলো ক্লাস পাব- সেই হিসাব করে আম’রা নতুন করে সিলেবাস প্রণয়ন করেছি এসএসসি ও এইচএসসির জন্য। এসএসসির জন্য একটি ৬০ কর্ম’দিবসের সিলেবাস তৈরি করেছি এবং মা’থায় রেখেছি কোন কোন বিষয়গুলো তার ওই সাবজেক্টের জন্য জানা অ’ত্যাবশ্যক।’

‘এইচএসসির বেলায় ৮৪ কার্যদিবস আম’রা ঠিক করেছি। কাজেই আমাদের খুলতে যদি দেরি হয়, পরীক্ষা একটু পরে নেব, তাতে এমন কোনো মহাভা’রত অশুদ্ধ হবে না এবং তারপরে তাদের পরবর্তী পর্যায়ে যাওয়াটা খুব সমস্যা হবে বলে আম’রা মনে করছি না।’শিক্ষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করো’নাভাই’রাসের টিকা দেয়ার পরের ধাপেই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীর টিকা পাবে বলে জানান তিনি।

দীপু মনি বলেন, অ’তি সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে কথা হচ্ছিল। প্রধানমন্ত্রীও মনে করেন, আমাদের যারা আবাসিক ছাত্র, তাদের টিকা আম’রা দিয়ে দিতে পারলে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে পারতাম।‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সর্বপ্রথম সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, সকল শিক্ষককে অগ্রাধিকারভিত্তিতে টিকা দেওয়া হবে। এটা আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সহায়তা করবে। তারপরের ধাপেই আম’রা আমাদের আবাসিক ছাত্রদের টিকা দিতে পারব বলে প্রত্যাশা করছি।’

অনেক উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশ অসাধারণভাবে করো’নাভাই’রাস মোকাবেলা করেছে বলে মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী।অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গো’লাম ফারুক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অ’তিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ, বাংলাদেশে ইউনিসেফের উপ-প্রতিনিধি ভিরা মেন্ডোনকা এবং কানাডা হাই কমিশনের হেড অব ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিট্যান্স ফেদ্রা মুন ম’রিস।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে করেনাভাই’রাসে রোগী শনাক্তের পর গত ১৭ মা’র্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। কওমি মাদ্রাসা বাদে অন্যসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা আছে।