Friday , April 16 2021

মে’য়েদের পাঁ,চটি অ’ঙ্গ ব’ড় হলে স্বা’মীরা সৌ’ভাগ্য’বান হয়ে থাকে

লোকজনরা জানে না যে, পু’রুষরা একবার হলেও তাদের দুঃ,খ দিতে পারে কি,ন্তু না’রীরা কখনই সেটা করে না। একথা একদম স,ত্যি যে বিয়ে দেওয়ার পর মে’য়েরা মে’য়েই থাকে কি,ন্তু ছেলেরা স্বা,মী হয়ে যায়।

এই জগতে অমূ,ল্য অবদান রয়েছে ম’হিলাদের। কা,রণ তাদের থেকেই সৃ,ষ্টি হয় নতুন প্রা’ণের।আমাদের দেশে এখনো কি,ছু কি,ছু গ্রা,ম রয়েছে যেখানে কন্যাস’ন্তান জ,ন্ম নিলে রীতিমত শো’ক পালন করা হয়।

অথচ তাদের সত্যি,ই কোন ধা,রণা নেই যে বর্ত,মান যু,গে না’রীরা কতটা এগিয়ে গেছে। পু’রুষদের সাথেই কাঁ,ধে-কাঁ,ধ মিলিয়ে স,মস্ত রকম দায়ি,ত্ব সামলাতে পারে তারা।

সবাই জানে যে না’রীরাই নতুন প্রা’ণের উৎস, ত,বুও না’রীদের প্রা,প্য স,ম্মান দেওয়া হয় না। তবে বলা উচিত যে, বর্ত,মানে অনেক লোকজনেরই না’রীদের স’ম্পর্কে চি,ন্তা-ভাবনা পাল্টে,ছে।

আ,র কো,ন ধরনের ম’হিলারা তাদের পরিবার ও স্বা,মীর জন্য সৌভাগ্য,শালী হন। এ ক্ষে,ত্রে ম’হিলাদের নির্দি,ষ্ট কয়েকটি অ,ঙ্গ বড় হলে তা পরিবারে সুখ-সমৃ,দ্ধি নিয়ে আসে।

আসুন দেখে নেওয়া যাক কো,ন কো,ন অ,ঙ্গ বড় হলে তা পরিবারে সুখ-সমৃ,দ্ধি নিয়ে আসে:ল,ম্বা চুলঃ,যেসব ম’হিলাদের চুল ল,ম্বা তাদের বরাবরই পরিবারের জন্য অ’ত্যন্ত ভাগ্য,শালী মনে করা হয়। এই ধরণের ম’হিলারা যে পরিবারে যান সেই পরিবারে কখনোই টাকা-পয়সার অভাব হয়না।

বড় চোখঃ,যেসব ম’হিলার চোখ বড় হয় তাদের দেখতে তো সুন্দ,রী লাগেই, এছা,ড়াও এনারা স্বামী,কে অ’ত্যন্ত ভালোবাসেন। যে বাড়িতে এনারা যান সেখানে ধ’ন-সম্প,দের আ,ধিক্য ঘটে।

এই ধরণের ম’হিলারা কখনই নিজের স্বামী,কে ঠকান না।ল,ম্বা নাকঃযে,সব ম’হিলাদের নাক ল,ম্বা হয় তাদের সব রকম সম,স্যা শান্ত মাথায় সমাধান করার ক্ষ’মতা থাকে। এনাদের টাকা খরচ করার প্র,বণতা থাকে, তবে তারা কখনই বাজে খরচ করেন না।

লম্বা গ*লাঃ,যেসব ম’হিলার ল,ম্বা গ*লা আছে তার অ’ত্যন্ত সৌভা,গ্যের অধিকা,রীনি হন।ল,ম্বা আঙুলঃ,যেসব ম’হিলাদের আঙু,ল লম্বা হয় তারা অ’ত্যন্ত বুদ্ধী,মতি হন, আ,র তাদের লেখা-পড়া করার দা,রুণ সখ থাকে।

এই ধরণের ম’হিলারা টাকা-পয়সা কম খরচ করেন এ,বং টাকা-পয়সা পেলে চে,ষ্টা করেন তা কিভাবে বাড়ানো যায়।আ,রো পরু,ন ছেলেদের ম,ধ্যে যে জিনিস দেখলে যেকোন মে’য়েরা দু,র্বল হয়ে যায়!

ছেলেদের কিছু গুন মে’য়েদেরকে আ’কৃষ্ট করে, দু,র্বল করে তোলে। ছেলেদের কাছে এ বিশেষ গু,নগুলো থাকলে তার প্রতি অনেক মে’য়ের ভালবাসা জাগে। এ গুনগুলো,র ম,ধ্যে উচ্চতা, গায়ের রং বা বাহ্যিক সৌ,ন্দর্য নয়।

কাঙ্ক্ষি,ত পু’রুষের মাঝে আ,রও বিশেষ কি,ছু খোঁ,জেন মে’য়েরা। বি’ষয়টা পুরো,পুরিই মনো-দৈ,হিক। শ’রীর তো আছেই, সঙ্গে অবশ্য,ই থাকতে হবে আবেগ-অনুভূ,তিও।না’রীর হূ,দয় জয়ে সফল হতে হলে এসব পু’রুষালি গু,ণের চ,র্চায় মনোযোগী হতে পারেন আজ থেকেই।

পড়ুন এমন ছয়,টি গু,ণের কথা— ফি’টফাট থাকুন না’রীরা দীর্ঘদে,হী পু’রুষ পছ,ন্দ করেন বটে, তবে উচ্চতা,ই শেষ কথা নয়। গুরুত্ব,পূর্ণ হলো আপনি কী’’ভাবে নিজেকে উপস্থা,পন করছেন।

আসল বি’ষয় হলো না’রী বুঝতে চায় আপনি নিজের য,ত্ন নিতে, ফি’টফাট থাকতে পারছেন কি না। তাঁ,রা ভাবেন, যে পু’রুষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমা’র দেখভাল করবেন কী’’ করে?

সুতরাং, আলুথালু পোশাক, এলোমেলো চুল, নখ না কা’টা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসী,নতার দিন শেষ। হালের না’রীরা এসব একেবা,রেই পছ,ন্দ করেন না। না’রীর মন পেতে হলে এসব খামখেয়া,লিপনা আজই ছাড়ুন।

নিজের রুচি তুলে ধরুন
দামি ব্র্যা,ন্ডের জামা-জুতো হতে হবে বি’ষয়টা মো,টেও এমন নয়। আ,র যদি একটার স,ঙ্গে বেমানান আরেকটা এই ব্র্যা,ন্ডের শার্ট, ওই ব্র্যা,ন্ডের জুতো, সেই ব্র্যা,ন্ডের জিনস হয় তাহলে তা আপনাকে দেখেই দৌ,ড়ে পালাতে পারে যে কেউ।

তাই সাধারণ দোকান থেকে কেনা হলেও পোশাকে-আশাকে নিজের রুচি পছন্দ,টা তুলে ধরু,ন। আ,র খেয়াল রাখু’ন তা যেন আপনার শা’রীরিক গড়ন আ,র গায়ের রঙে,র স,ঙ্গে মানা,নসই হয়।

নিজের একটা স্টা,ইল গড়ে তুলুন।আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যেমন না’রীদের ‘সন্ন্যাসিনী’ সেজে থাকা পছন্দ, করেন না, ঠিক তেমনি আধুনিক না’রীরাও ‘অফিস টাইপ’ পোশাকের পু’রুষদের পছন্দ করেন না।

মুখে হাসি ফোটান
রসবোধ থাকা’টা যে কারও জন্যই উঁচুমা,নের গু,ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কা,ঙ্ক্ষিত পু’রুষের চরিত্রে না’রীরা এটা খোঁ,জেন। প্রা,ত্যহিক জীবনে এমনিতেই বহু ঝুট-ঝামেলা নিয়ে ত্য,ক্ত-বির’ক্ত হয়ে থাকার মতো যথে,ষ্টই কা,রণ থাকে না’রীদের।

তাই একজন মনম’রা টাইপ স’ঙ্গী তাঁ,দের জন্য মড়ার উপর খাঁ,ড়ার ঘা। তাই নিজে হাসুন, তাঁ,র মু,খেও হাসি ফোটাতবে খেয়াল রাখতে হবে ঠা,ট্টা-তামাশা করতে গিয়ে সব সময়ই অ,ন্য কাউ,কে খাটো করা, আ’ঘাত করা মোটেই কাজের কথা না।

অনেক না’রীই এটা রীতি,মতো অ’পছন্দ করেন। আ,র যে পু’রুষ হাসিমুখে নিজের ভু’ল স্বী,কার করতে পারেন, নিজেকে নিজেই মশকরা করতে পারেন, তাঁ,র প্র,তি না’রীদের আক,র্ষণ কতটা তী,ব্র সে বি’ষয়ে আম’রা কি,ছু বলব না, আপনি নিজেই তা প,রীক্ষা করে দেখু’ন।

তাঁ,কে বুঝতে দিন যে আপনি যত্ন,বান
না’রীরা সব সময়ই বারবা,রই এটা নিশ্চি,ত হতে চান যে তাঁ,কে কেউ ভালোবাসছেন, তাঁ,র খেয়াল রাখছেন। তাঁ,র হাত ধরে হাঁটা, সুযোগ পেলে এক,সঙ্গে সূর্যা,স্ত দেখা—

হোক তা বারা,ন্দায় দুই মিনিটের জন্য, মাঝেম,ধ্যেই জড়িয়ে ধ’রা, রা,স্তা পেরোনোর সময় তাঁ,র খেয়াল রাখার মতো কাজ,গুলোকে মোটেই অবহেলা করবেন না।

আপনার এসব ছোট ছোট অভ্যা,স থেকে অনেক কিছু,ই বোঝা যায়। কখনো কখনো রাস্তায়, বেড়াতে গিয়ে সবার সামনে তাঁ,র হাত ধরে হাঁ,টা মানে আপনি তাঁ,কে নিয়ে গর্বি,ত। তবে এ চ,র্চা যেন হয় জড়তাহীন, সাবলীল আ,র আতি,শয্য বর্জি,ত।

ও চোখে চোখ পড়েছে
যখনই তাঁ,র চোখে চোখ রেখে তাকান। মি,ষ্টি করে একবার হাসুন। ভালোবাসার চোখে সরাসরি তাঁ,র চোখে তাকালে একজন না’রী যে অনু,ভূতি পান তার তুলনা করা দু,ষ্কর।

আপনার ওই চাহনিতে নিজেকে লাখে একজন মনে হতে পারে তাঁ,র। আ,র মাঝেম,ধ্যেই চোখে চোখ রেখে তাকানোটা জ,রুরি। কেননা, অনেক কথায় যা হয় না, চোখের ভাষায় সেটা বলা হয়ে যেতে পারে