Thursday , August 5 2021

কাঁচা ছোলা খেয়ে ঝ’ড় তুলুন বি’ছানায়, জেনে নিন খা’ওয়া’র নি’য়’ম

উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসাছাড়িয়ে, কাঁচা আদার স’ঙ্গে খেলে শ’রীরে একই স’ঙ্গেআমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক যাবে। আমিষ মানুষকে শ’ক্তিশালী ও স্বা’স্থ্যবান বানায়। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বি’রুদ্ধে যু’দ্ধ করে।

জে’নে নিন ছোলার কিছু স্বা’স্থ্যগুণের কথা:- ডাল হিসেবে: ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথেআছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান,

কপার, ফসফরাস এবং আয়রণ।হৃদরো’গের ঝুঁ’কি কমাতে: অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খা’রাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধ’রনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরো’গে আক্রা’ন্ত হওয়ার ঝুঁ’কি

কমিয়ে দেয়।আঁশ, পটাসিয়াম, ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন বি-৬ হৃদযন্ত্রের স্বা’স্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফলে হৃদরো’গের ঝুঁ’কি কমে যায়। এর ডাল আঁশসমৃদ্ধ যা র’ক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ৪০৬৯ মিলিগ্রাম ছোলা খায় হৃদরো’গ থেকে তাদের মৃ’ত্যুর ঝুঁ’কি

৪৯% কমে যায়।র’ক্তচা’প নি’য়ন্ত্রণে: আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্র’কাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে যে সকল অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে ফলিক এসিডযুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্র’বণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে র’ক্তচা’প

নি’য়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা বয়সসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হার্ট ভাল রাখতেও সাহায্য করে।র’ক্ত চলাচল: অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে র’ক্ত চলাচল বেড়ে যায়।

তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রা’ন্ত ব্য’ক্তিদের আর্টারির কার্যক্ষ’মতাকে বাড়িয়ে দেয়। ক্যা’ন্সার রো’ধে: কোরিয়ান গবেষকরা তাদের গবেষণায় প্রমাণ ক’রেছেন যেবেশি পরিমাণ ফলিক এসিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যা’ন্সার এবং রেক্টাল ক্যা’ন্সার এর ঝুঁ’কি থেকে নিজিদেরকে মু’ক্ত রাখতে পারেন।

কোলেস্টেরল: ছোলা শ’রীরের অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শ’রীরের জন্য ক্ষ’তিকর নয়। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায়

আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ। কোষ্ঠকাঠিন্যে দূ’র করে: ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়। খাবারের আঁশ হজ’ম হয় না। এভাবেই খাদ্যনালী অতিক্রম ক’রতে থাকে। তাই পায়খানার পরিমাণ বাড়ে এবং পায়খানা নরম থাকে।

ডায়াবেটিসে উপকারী: ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে: প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই

ডায়াবেটিক রো’গীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রো’গ্রাম। এছাড়া আছে ভিটামিন বি-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম। এর সবই শ’রীরের উপকারে আসে।

রো’গ প্র’তিরো’ধ করেঃ কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আদার স’ঙ্গে খেলে শ’রীরে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিকের চাহি’দা পূরণ হয়। আমিষ মানুষকে শ’ক্তিশালী ও স্বা’স্থ্যবান বানায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্র’তিরো’ধ গড়ে তোলে। জ্বা’লাপোড়া দূ’র করেঃ সালফার নামক খাদ্য উপাদান থাকে এই ছোলাতে। সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় জ্বা’লাপোড়া কমায়।

মেরুদণ্ডের ব্য’থা দূ’র করেঃ এছাড়াও এতে ভিটামিন ‘বি’ও আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ভিটামিন ‘বি’ কমায় মেরুদণ্ডের ব্য’থা, স্নায়ুর দু’র্বলতা। ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। এতে আমিষ মাংস বা মাছের পরিমাণের প্রায় সমান।

তাই খাদ্যতালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংসের প্রয়োজন পরে না। ত্বকে আনে মসৃণতা। কাঁচা ছোলা ভীষণ উপকারী। তবে ছোলার ডালের তৈরি ভাজা-পোড়া খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই হজ’মশ’ক্তি বুঝে ছোলা হোক পরিবারের শ’ক্তি। আপনার কাছে পোষ্ট টি কেমন লে’গেছে কমেন্টেস করে জা’নাবেন ৷ আপনাদের কমেন্ট দেখলে আরো ভালো ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।