Wednesday , August 4 2021

৩২ মণ পালোয়ানের দাম ১৩ লক্ষ টাকা

আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আর এই ঈদ সামনে রেখে প্রতি বছরই দেশের বড় বড় খামার তৈরি করছে ছোট-বড় বিভিন্ন জাতের গরু।

শুধু বড় খামার নয়, দেশের নানা জায়গায় পারিবারিকভাবে ছোট খামারেও প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজা করা হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছরই আলোচনায় আসে সবচেয়ে বড় আকারের গরুর নাম।

এবার নরসিংদীর সদর উপজেলার নজরপুর গ্রামের আওলাদ হোসেন শখেরবশে লালনপালন করেছেন বড় আকৃতির দুটি গরু। এবারের ঈদে এ দুটি গরু হাটে তুলবেন তিনি।

এদের মধ্যে কালোর মাঝে অল্প সাদা রঙের পালোয়ানের বর্তমান ওজন প্রায় ৩২ মণ ও উচ্চতা সাড়ে ছয় ফুট। এর দাম হাঁকছেন তিনি ১৩ লাখ।

এদিকে সাদার মাঝে অল্প কালো রঙয়ের শেরখানের ওজন ২৮ মণ ও উচ্চতা ছয় ফুট। এর দাম ১২ লাখ টাকা হাঁকছেন তিনি।

তবে তার বাড়ি থেকে যদি কেউ গরু দুটি কিনে নেন সেক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় থাকবে বলে জানান তিনি।

অপরদিকে বিশাল আকৃতির গরু দুটি দেখতে ভিড় করছেন এলাকাবাসী। কেনার জন্য বাড়িতে আসছেন ক্রেতারাও। করছেন দর-কষাকষি।

আওলাদ হোসেন জানান, দুই বছর আগে ব্রাহমা জাতের একটি ষাঁড় গরু ও সাত মাস আগে ফ্রিজিয়ান জাতের আরও একটি ষাঁড় গরু কিনে পালন শুরু করেন। আদর করে প্রথমে কেনা গরুটির নাম রেখেছেন শেরখান।

পরে কেনা অপরটির নাম রাখেন পালোয়ান। মাঠের সবুজ ঘাস খাওয়ানোর পাশাপাশি দেশীয় খৈইল, কুঁড়া, সয়াবিন, চালের খুদ, ছোলা, ভুসি ও খড় খাইয়ে লালনপালন করা হয়েছে এদের।

তিনি আরও জানান, মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক ও পশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এমন কোনো ওষুধ খাওয়ানো হয়নি গরু দুটিকে। আমি গরু দুটি বিক্রি করে লাভবান হতে পারলে অন্যরাও এমন গরুপালনে আগ্রহী হবে।

সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আওলাদ হোসেন একজন শৌখিন খামারি। তিনি প্রতিবছরই এমন বড় ধরনের একাধিক গরু প্রতিপালন করেন।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে গরুগুলো লালনপালনের জন্য কাঁচা ঘাসের পাশাপাশি দেশীয় বিভিন্ন খাবারের মিশ্রণ খাওয়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়। তিনি সেভাবেই কোনো প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই গরু দুটি বড় করেছেন। আমার জানা মতে, এবার এ দুটি গরুই জেলায় কোরবানির জন্য সবচেয়ে বড় গরু।’ সূত্রঃ জাগো নিউজ